দুপুর পেরোলেই অপেক্ষা থাকত মেলার জন্য। গ্রামের মেলায় পৌঁছাতেই চোখ ধাঁধিয়ে যেত। নাগরদোলার দিকে তাকিয়ে মনটা লাফিয়ে উঠত, চড়তে না পারলে যেন বৈশাখই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে! ওপরে উঠলে নিচের সবকিছু ছোট হয়ে যেত, আর বুকের ভেতর আনন্দটা বড় হয়ে উঠত।

চারপাশে রংবেরঙের খেলনার দোকান, কাঠের বাঁশি, টিনের গাড়ি, রঙিন পুতুল, বেলুন, লাটিম, ছোট ঢোল, কাগজের ঘুড়ি কোনটা ছেড়ে কোনটা নেব, সেটাই বুঝে উঠতে পারতাম না।

এক কোণে বাতাসার স্তূপ, পাশে চিনি দিয়ে বানানো ঘোড়া আর পুতুল দেখলেই মনে হতো এগুলো শুধু মিষ্টি নয়, ছোট্টবেলার স্বপ্ন। আরেক পাশে কুলা, বেতের তৈরি ডালা, ঝুড়ি, চালনি যেগুলো আমাদের ঘরের খুবই দরকারি জিনিস ছিল। পিতল আর কাঁসার থালা, গ্লাস, বাটি তখন যেগুলো খুব সাধারণ ছিল, এখন সেগুলোই যেন স্মৃতির অমূল্য অংশ।



Source link