ইরান যুদ্ধের ঠিক আগে, ইসরায়েলের দুই প্রভাবশালী সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা লিখেছিলেন—ইরানের সরকারকে দুর্বল বা উৎখাত করা গেলে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলই হবে ‘প্রধান শক্তি’।

এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য শুধু ইরানকে দুর্বল করাই নয়, একই সঙ্গে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোর সদস্য বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দুর্বল করে তাদের নিরাপত্তা ও জ্বালানি রপ্তানির জন্য ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল করে তুলতে হবে। অর্থাৎ, এই দেশগুলোর ওপর ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রভাবকে ইসরায়েলের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, বরং পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দেখা যেতে পারে।

যুদ্ধ শুরুর পর দেখা যায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ববাজারে যাওয়ার পথ গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়। পরে ইসরায়েল যখন ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বাড়ায়, তখন ইরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা আঘাত হানে। এই প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহু ‘হরমুজ প্রণালি’ ও বাব আল-মান্দাব প্রণালির বিকল্প পথ তৈরির কথা বলেন—যেখানে তেল ও গ্যাস পাইপলাইন আরব উপদ্বীপ পেরিয়ে ইসরায়েল হয়ে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত যাবে।



Source link