সারা বিশ্ব থেকে এবার ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী পবিত্র হজব্রত পালন করতে মক্কায় জড়ো হয়েছেন। নানা বর্ণের, নানা ভাষার মুসলিমরা মিশেছেন একই স্রোতে। আল্লাহর মেহমানরা আজ আরাফাতের ময়দানে দিনভর অবস্থান করবেন। এই মরুর ময়দানে ১৪০০ বছর আগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে আজ হজের খুতবা দেওয়া হবে। এবার মসজিদে নববির প্রবীণ ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফির খুতবা দেওয়ার কথা রয়েছে। খুতবা ও নামাজের মধ্য দিয়ে এই বিস্তীর্ণ ময়দানে হাজিরা সারা দিন পার করবেন। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে হাজিরা আল্লাহর জিকির-আসগার, তিলাওয়াত, দোয়া-মোনাজাতে নিমগ্ন থাকবেন।

ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, আরাফাতের ময়দানের দোয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। হাজিরা জোহর ও আসর নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন। সূর্য পশ্চিম আকাশে হেলে গেলে হাজিরা অত্যন্ত কাতর ও বিনয়ী কণ্ঠে একযোগে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। অশ্রুভেজা কণ্ঠে পার্থিব দুনিয়ার যত অপরাধ, পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। একই সঙ্গে পরিবার-আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী-পরিচিতজন, দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন। সব চাওয়া-পাওয়া, মনের আকাঙ্ক্ষা আল্লাহ–তাআলার কাছে ব্যক্ত করবেন হাজিরা।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের প্রতিদানস্বরূপ আল্লাহ হাজিদের নিষ্পাপ ঘোষণা করেন। হাদিসে আছে, ‘আরাফাহর দিন আল্লাহ এত বেশি পরিমাণ জাহান্নামিকে অগ্নি থেকে মুক্তি দেন, যা অন্য কোনো দিবসে দেন না।’ (মুসলিম শরিফ)



Source link