দুর্ভিক্ষের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে পরবর্তীকালে ম্যালেরিয়া, প্লেগ, আমাশয়, গুটিবসন্ত ও কলেরার মতো মারাত্মক মহামারি ছড়িয়ে পড়েছিল।
এ আসন্ন বিপদ নিয়ে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক অ্যাট অ্যালবানির বিজ্ঞানী অধ্যাপক পল রাউন্ডা বলেন, বর্তমান বছরের এ পরিস্থিতি ১৮৭৭ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ইতিহাসের সম্ভাব্য সবচেয়ে বড় এল নিনো ইভেন্ট বা জলবায়ু বিপর্যয় হতে চলেছে। অন্যদিকে বিখ্যাত জলবায়ুবিজ্ঞানী ক্যাথরিন হ্যাহো সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আসন্ন এই এল নিনো মানবসমাজ ও মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও বেঁচে থাকার ওপর এক গভীর ও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এল নিনো-সাদার্ন অসিলেশন মূলত একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা দুই থেকে সাত বছর পরপর গরম এল নিনো ও ঠান্ডা লা নিনা ফেজের মধ্যে আবর্তিত হয়। এল নিনো চলাকালীন প্রশান্ত মহাসাগরে জমে থাকা উষ্ণ পানি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ অতিরিক্ত তাপ একপর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে চলে আসে এবং মাসের পর মাস ধরে পুরো গ্রহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে রাখে। যখন সমুদ্রপৃষ্ঠের এ উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন তাকে সুপার এল নিনো বলা হয়।



Source link