সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান, দর্শনার্থীরা যাতে নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।

ঢাকাবাসীর কাছে এখন জাতীয় চিড়িয়াখানা মিরপুর, বোটানিক্যাল গার্ডেন, উত্তরার দিয়াবাড়ি, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ধানমন্ডি লেক, জিয়া উদ্যান, জাতীয় জাদুঘর, শ্যামলী শিশুমেলা, ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক, বুড়িগঙ্গা ইকোপার্ক, যমুনা ফিউচার পার্ক, ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক, লালবাগের কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, হাতিরঝিল ও তিন শ ফিট–সংলগ্ন পূর্বাচল বাজার এখন প্রধান বিনোদনকেন্দ্র।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের সময় চিড়িয়াখানায় এক থেকে দেড় লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হয়। অন্যান্য দিনের মতোই এ সময়ও চিড়িয়াখানা সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের জন্য এবার ১৪টি বুথে টিকিট বিক্রি করা হবে। এর বাইরে ব্যক্তিগত গাড়ি রাখার পার্কিংয়ের জন্য একটি বুথে টিকিট বিক্রি হবে। এ ছাড়া ১৪টি লাইন দিয়ে প্রবেশ করার ব্যবস্থা থাকবে।



Source link