১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সঙ্গে এর ভাবগত তুলনা চলে। আন্দোলনের মুখে পড়লেও বিএনপির ১৯৯৬ সালের পরের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বৈধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে তিনটি বিতর্কিত ও অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে জনসম্মতিহীনভাবে ক্ষমতায় ছিল। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাটাই ধ্বংস করে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সাব্যস্ত করেছে। অন্যদিকে নেপালের কে পি শর্মা অলির সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ ওঠেনি।
এ কারণেই বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের বিষয়ে তাদের ব্যাখ্যা স্পষ্ট করেছে। ঢাকার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইইউ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক পরিষ্কারভাবে বলেন, ‘অংশগ্রহণমূলক’ ও ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ নির্বাচন বলতে তারা মূলত বিশ্বাসযোগ্য ভোটার উপস্থিতিকে বুঝিয়েছেন (বাসস, ১১ জানুয়ারি ২০২৬)।
