মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়নি, যদিও অনেক দেশে ২৫ শতাংশের বেশি দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলেও আন্তর্জাতিক বাজার অনুযায়ী ব্যয় প্রতি লিটার প্রায় ১৯৪–১৯৮ টাকা। অকটেনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। মার্চ মাসে ডিজেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ৮৮ শতাংশ এবং অকটেন ২৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এ কারণে মার্চ-জুন সময়ে ডিজেলে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা এবং অকটেনে ৬২৬ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া এলএনজি আমদানিতে আরও ভর্তুকি দিতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ জ্বালানিসংকটে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প কার্যক্রম সীমিত করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সরকার জীবনযাত্রা সচল রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং পরিবহন, শিক্ষা, শিল্প ও কৃষি কার্যক্রম চালু রয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি না কিনতে, অপচয় রোধ, অবৈধ সংযোগ ও মজুতের বিরুদ্ধে সচেতন হতে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ের পর বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযত থাকতে তিনি অনুরোধ জানান।

সীমান্তবর্তী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি পাচারে জড়িত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার তা কঠোরভাবে দমন করবে। অবৈধ মজুত সম্পর্কে তথ্য দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। শেষে তিনি বলেন, সংকট মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে—‘আমি নই, আমরা; ব্যক্তি নয়, দেশ; অপচয় নয়, সাশ্রয়; বিভক্তি নয়, ঐক্য—সবার আগে বাংলাদেশ।’



Source link