চীনের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান মহাকাশ প্রতিযোগিতার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের এই মিশনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। চীনও ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

আর্টেমিস-২ মিশনের বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কোচ বলেন, ‘চাঁদ হচ্ছে সৌরজগৎ সৃষ্টির এক সাক্ষী এবং মঙ্গলে যাওয়ার একটি সোপান। এখন প্রশ্ন এটা নয় যে আমরা সেখানে যাব কি না; প্রশ্ন হলো, আমরা কি সেখানে নেতৃত্ব দেব নাকি অন্য কাউকে অনুসরণ করব?’

ভবিষ্যতে চাঁদের খনিজ সম্পদ আহরণ এবং মঙ্গলের মতো আরও কঠিন অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে এই মিশনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।



Source link