এ সময় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফের এইচ বিন আবিয়াহ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী আশকোনা হজ ক্যাম্পে যান। সেখানে তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বর্ধিত ফ্লাইট শিডিউল ও উড়োজাহাজ ভাড়া কমানোসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরই হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে।

এ বছর মোট হজযাত্রীর প্রায় অর্ধেক বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি হজযাত্রীদের বহন করবে সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস। প্রথম দিনে মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে।

আগামী ২১ মে হজ-পূর্ব ফ্লাইট শেষ হবে। এ বছর মোট ২০৭টি হজ-পূর্ব ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সৌদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৩০ মে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। ফিরতি ফ্লাইট চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।



Source link