নাছির উদ্দীন বলেন, ‘মতের ভিন্নতা থাকলে আপনারা একটি পাল্টা গ্রাফিতি অঙ্কন করতে পারতেন। কিন্তু আপনারা সেটি না করে একটি গ্রাফিতি লেখার কারণে যে সন্ত্রাসবাদকে উসকে দিয়েছেন, যেভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অসংখ্য নেতা-কর্মীর ওপর হামলা করেছেন, তা থেকে বোঝা যায়—আপনারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দিতে প্রস্তুত নন।’
সমাবেশে নাছির উদ্দীন বলেন, তারা নিজেরা হামলা করে ছাত্রদলের ওপর সেই হামলার অভিযোগ চাপিয়ে দিতে চায়। এটিকে সহজভাবে সাধারণ মানুষ বলে—আক্রমণকারী হয়েও তারা ভিকটিম কার্ড খেলতে চায়। এটি শিবিরের একটি চরিত্র। বর্তমানে এটি একটি দুশ্চরিত্রে পরিণত হয়েছে।
‘গুপ্ত’ রাজনীতি বন্ধের দাবি জানিয়ে নাছির উদ্দীন বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো ক্যাম্পাসে ভবিষ্যতে কোনো গুপ্ত রাজনীতি থাকতে পারবে না। রাজনীতি করতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রকাশ্যে দলীয় রাজনীতি করতে হবে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে আমরা অতীতে জুলুমের শিকার হয়েছি। সে জন্য আমরা কোনো প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী নই। কিন্তু কোনোভাবে ছাত্রদলের কোনো নেতা-কর্মীর ওপর যদি চট্টগ্রাম সিটি কলেজের মতো হামলা হয়, তাহলে বাংলাদেশের কোনো ক্যাম্পাসে ছাত্রদল চুপচাপ বসে থাকবে না।’
