সংবাদ সম্মেলনে সিনথিয়া জাহীন আয়েশা বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরফ থেকে গণভোটের পক্ষে দেশব্যাপী প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রচারের অর্থায়ন কীভাবে হবে, এমন প্রশ্নে তখন বলা হয়, ব্যক্তিগত খরচে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে ফান্ড (তহবিল) গ্রহণ এবং তা কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, সেটা তাঁদের কাছে গোপন রাখা হয়েছে।

সিনথিয়া জাহীন বলেন, ‘গত বছর ২৫ জুন অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিকভাবে একটি নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি পাই। কিন্তু আমাদেরকে সাংগঠনিক দায়িত্ব ও কার্যক্রম পালনে ধারাবাহিকভাবে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রিফাত রশিদ একা নিয়েছেন, যা সংগঠনের গণতান্ত্রিক চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত অবমূল্যায়ন নয়, এটি একটি সংগঠনের ভেতরের প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের নগ্নতা প্রকাশ করেছে।’



Source link