ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনির মুখ ও ঠোঁট মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। এর ফলে তাঁর কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। এ জন্য আরও প্লাস্টিক সার্জারি করা হতে পারে। তবে এসব আঘাত সত্ত্বেও ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোজতবা খামেনি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সজাগ আছেন। দূর থেকেও তিনি রাষ্ট্র পরিচালনায় যুক্ত আছেন।
এমনকি স্বনামধন্য হার্ট সার্জন ও ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোজতবা খামেনির চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আছেন। তবে উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডাররা তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করার বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন। কারণ, তাঁদের যাতায়াতের কারণে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের কাছে মোজতবার গোপন অবস্থানের তথ্য ফাঁস হয়ে যেতে পারে।

যোগাযোগের মাধ্যমগুলো সীমিত হয়ে পড়ায় মোজতবার কাছে বার্তা পৌঁছানোর জন্য বিশেষ বার্তাবাহকদের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। সড়ক ও মহাসড়ক পাড়ি দিয়ে বার্তাগুলো তাঁর অজ্ঞাত স্থানে পৌঁছানো হয়। মোজতবার জবাবও একই গোপন পথ ধরে ফেরত আসে।



Source link