স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, লক্ষ্যমাত্রার ৮১ শতাংশকে (শিশু) হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। আর দুই–চার দিনের মধ্যে শতভাগকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনে আজ রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

টিকার যথেষ্ট মজুতের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।…তবে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে একটু সময় লাগে।’

টিকা দেওয়ার কার্যক্রমে দৃষ্টি রাখার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ডিসিদের প্রস্তাব ও মন্ত্রীর নির্দেশনা

ডিসিদের দেওয়া প্রস্তাবের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলো অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। এগুলো চালুর জন্য বলেছেন ডিসিরা। এ ছাড়া ঠিকমতো চিকিৎসক না থাকা সমস্যার পাশাপাশি বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের সময় হাসপাতালে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, অ্যাম্বুলেন্সের ঘাটতি পূরণে সরবরাহ বাড়ানোসহ স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য ডিসিরা অনেক আলোচনা করেছেন বলে জানান মন্ত্রী।

ডিসিদের নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এবং অবৈধভাবে পরিচালিত ক্লিনিকগুলোয় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা, ডিসপেনসারিগুলোয় ভেজাল ওষুধ বিক্রি হয় কি না, সেগুলো খেয়াল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালে প্লাটুন কমান্ডারসহ ১০ আনসার মোতায়েন করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।



Source link