হাবিবুর রহমান প্রামানিক জানান, দেশের হাওরাঞ্চলের গত ৩৬ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হাওরে আগাম বন্যা ও আকস্মিক বন্যার প্রকোপে প্রতিবছর ১০ থেকে ১০০ ভাগ ধান নষ্ট হয়েছে। অগ্রহায়ণ মাসের শুরুতে হাওরের পানি নেমে গেলে ধান লাগানোর জন্য জমি ঠিক করা হয়। ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির শুরুতে ধান লাগানো হয়। প্রচলিত জাতের ধান বড় হতে এপ্রিলের শেষ বা মে মাস এসে যায়। তখনই হঠাৎ বন্যার পানি নেমে আসে। কখনো কখনো আকস্মিক বন্যায় এক নিমেষেই তলিয়ে গেছে পুরো মাঠের ধান।

এই সমস্যার সমাধানে ‘হাওরাঞ্চলে নিরাপদ বোরো ধান উৎপাদনে স্বল্পমেয়াদি ধান জাতের জনপ্রিয়করণ’– প্রকল্প হাতে নেন হাবিবুর রহমান প্রামানিক। ২০২১ সাল থেকে হাওরাঞ্চলে কাজ শুরু করেন গবেষক হাবিবুর রহমান প্রামানিক ও তাঁর দল। সুনামগঞ্জ, ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে মাঠপর্যায়ে চাষ করে কৃষকদের সামনে তুলে ধরেছেন চোখে দেখা প্রমাণ। একই জমিতে দীর্ঘমেয়াদি ধান যখন সবুজ, তখন স্বল্পমেয়াদি জাত ব্রি ধান ১১৩, ব্রি ধান ৮৮, ব্রি ধান ১০১, ব্রি ধান ১০৫ সোনালি হয়ে কাটার উপযোগী।  



Source link