বুধবার রাতে টাঙ্গাইলে যানজটে আটকা পড়ে ঘরমুখী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ গোলচত্বর এলাকায় বগুড়াগামী একতা পরিবহনের যাত্রী সোহরাব আলীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, বুধবার রাত নয়টার দিকে তিনি ঢাকার আমিনবাজার থেকে রওনা দেন। পথে বিভিন্ন স্থানে যানজটে পড়তে হয়েছে। যে কারণে সেতুর পূর্ব প্রান্তে পৌঁছাতেই বৃহস্পতিবার ভোর হয়ে গেছে। সাধারণ সময়ে এই পথ পার হতে তিন ঘণ্টা সময় লাগে।
তীব্র যানজট উপেক্ষা করে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে এসেছেন জেলার বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী আল আমিন মল্লিক। তিনি বলেন, ঢাকার গাবতলী থেকে বুধবার বিকেলে ইফতার কিনে বাসে উঠেছিলেন। সাভার এসে জানতে পারেন, চন্দ্রা গোলচত্বর এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যে কারণে গাড়ি মানিকগঞ্জ হয়ে টাঙ্গাইল শহরে ঢোকার চেষ্টা করে। সেখানেও তীব্র যানজটে সারা রাত আটকে ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় যমুনা সেতু হয়ে সিরাজগঞ্জের কড্ডায় পৌঁছান। তিনি বলেন, যানজটে যাত্রীদের কষ্ট হয়েছে।
