তবে ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রণালিটি আবার চালু হলে—যেখানে ইরান কোনো টোল নিতে পারবে না—তা অর্থনৈতিক চাপ দূর করবে, বাজারকে আশ্বস্ত করবে এবং পারমাণবিক সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করবে। তিন মাস ধরে ইরান এই জলপথকে নিজেদের সার্বভৌম এলাকা বলে যে দাবি করে আসছিল—যা আগে আন্তর্জাতিক জলসীমা হিসেবে ব্যবহৃত হতো—সেটি যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে মোকাবিলা করবে, তা ওই কর্মকর্তা স্পষ্ট করেননি।

তবে ওই কর্মকর্তা এতটুকু বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে এই চুক্তিটি ইরানের জন্য ‘পিছু হটা’। কারণ, তারা কোনো টোল আদায় করতে পারছে না।

রোববার বিকেলে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে সংশয় বাড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি যদি ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করি, তবে সেটি ২০১৫ সালে ওবামার করা চুক্তির মতো হবে না। তাঁর চুক্তি একটি ভালো এবং যথাযথ চুক্তিই হবে।’ ওবামার সেই চুক্তি ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমকে সীমিত করলেও তা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারেনি।

ট্রাম্প স্বীকার করেন, ‘আমাদের চুক্তিটি সম্পূর্ণ বিপরীত, কিন্তু এখনো কেউ এটি দেখেনি বা জানে না, এটি কী। এটি এমনকি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্তও হয়নি। তাই, সেই পরাজিতদের কথা শুনবেন না, যারা নিজেরা কিছু না জেনেই সমালোচনা করছে।’



Source link