চাহিদা থাকলে জোগানও থাকবে
ইউএসটিআরের ঘোষণার পরপরই ভিয়েতনাম সরকার ৭ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত নকল পণ্য ও অনলাইন পাইরেসিবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করে।

গত বছর একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। তখন ট্রাম্প প্রশাসন ভিয়েতনাম থেকে আমদানির ওপর ৪৬ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল, যা পরে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। এক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে ভিয়েতনাম। যুক্তরাষ্ট্রই দেশটির সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার।

রয়টার্সের সাংবাদিকেরা এ মাসে দুইবার নিন হিয়েপ বাজারে যান—একবার অভিযানের আগে এবং আরেকবার ২৫ মে । সেখানে প্রায় ১০ জন দোকানির সঙ্গে কথা হয়। সবাই জানান, কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযান চালায়, তবে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব খুব কম। বিষয়টির স্পর্শকাতরতার কারণে কেউই পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।

এক বিক্রেতা জানান, সম্প্রতি পুলিশ বাজারে এসেছিল। এতে কিছু দোকান ব্র্যান্ডের নকল পণ্য প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা কমিয়েছে। তবে তিনি বলেন, ‘ক্রয়াদেশ দিলে গুদাম থেকে এখনো নকল পণ্য চলে আসে।’

নকল পণ্যবিরোধী কার্যক্রম তদারককারী কর্তৃপক্ষও রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।



Source link