শিকাগোর অ্যাডভোকেট ক্রাইস্ট মেডিক্যাল সেন্টারের ঘুম বিশেষজ্ঞ ডক্টর ড্যারিয়াস লোগমানি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি জানান, মানুষের ঘুমিয়ে পড়া বা জেগে ওঠার ক্ষমতা চারপাশের পরিবেশের ওপর অনেকখানি নির্ভর করে। আমরা যদি সম্পূর্ণ অন্ধকারে ঘুমাতে অভ্যস্ত হই, তবে ঘরে আলো থাকলে ঘুমানো কঠিন হয়ে পড়ে। একইভাবে আমরা যদি দিনের আলোয় ঘুম থেকে উঠতে অভ্যস্ত হই, তবে মেঘলা আবহাওয়ার কারণে চারপাশে অন্ধকার থাকলে সহজে ঘুম ভাঙতে চায় না। ঋতু বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে এমনটা ঘটে থাকে।

এ ছাড়া বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বা জলীয়বাষ্পের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এই সময়ে হোমিওস্ট্যাসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে শরীরকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এই অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে আমাদের শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এতে ঘুম চলে আসে।

বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ার পাশাপাশি ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে বায়ুমণ্ডলের চাপও কমে যায়। ঝড়ের সময় সাধারণত নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এই নিম্নচাপের কারণে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কিছুটা কমে যায়। অক্সিজেনের এই সামান্য ঘাটতির কারণে আমাদের শরীরে ক্লান্তি ও তন্দ্রাচ্ছন্নতা তৈরি হতে পারে।



Source link