নিরাপদ ও রপ্তানিযোগ্য ফল উৎপাদনে উৎসাহ দিতে ফ্রুট ব্যাগিংয়ে ব্যবহৃত বিশেষ কাগজের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া পোলট্রি খাতের আধুনিকায়নে ব্যবহৃত হ্যাচার, হিউমিডিটি সেন্সরসহ পাঁচ ধরনের যন্ত্রপাতি আমদানিতেও শুল্ক ছাড় রয়েছে।

কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু রয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে এ সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা হয়েছে। এ জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। 

কৃষিঋণের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে। শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেওয়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সুবিধা বহাল থাকবে। কৃষিঋণ মওকুফের জন্য ১ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ডাল, তেলবীজ, মসলা ও ভুট্টা চাষে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হবে। উপকূলীয় এলাকায় লবণ চাষে ৪ শতাংশ এবং পার্বত্য অঞ্চলে ৫ শতাংশ সুদে ঋণসুবিধা মিলবে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রথমবারের মতো কৃষি ও মৎস্যবিমা চালুর পরিকল্পনার কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সারে ভর্তুকি অব্যাহত থাকবে এবং ৩০ হাজার টন সার বিনা মূল্যে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী ৬০টি কৃষিপণ্যের উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশ করা এবং মসলায় বিদ্যমান ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছেন।



Source link