কাতার বিশ্বকাপের গল্প এখন ফুটবল ইতিহাসের অংশ
সৌদি আরবের বিপক্ষে অপ্রত্যাশিত হার দিয়ে শুরু। সমালোচনা, হতাশা, শঙ্কা—সবকিছু ঘিরে ধরে দলকে। এরপরই দেখা যায় এক ভিন্ন আর্জেন্টিনাকে। মেক্সিকোর বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো, পোল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়ন্ত্রণ, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে স্নায়ুর পরীক্ষা, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আধিপত্য এবং সবশেষে ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ফাইনাল। সেই ফাইনালে মেসি ছিলেন নায়ক; কিন্তু আর্জেন্টিনার জয়টা ছিল পুরো দলের। দিবু মার্তিনেজের সেভ, এনজোর পরিণত খেলা, ম্যাক অ্যালিস্টারের ছন্দ, আলভারেজের গতি—সব মিলিয়ে জন্ম নেয় নতুন এক চ্যাম্পিয়ন দল।
আলবিসেলেস্তেদের গল্প ২০২২–এ শেষ হয়নি
২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকা জিতে তারা নিজেদের সাফল্যের ধারাবাহিকতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেয়। এর আগে ২০২২ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে হারিয়ে জিতেছিল ফিনালিসিমা। এরপর কলম্বিয়াকে হারিয়ে রেকর্ড ১৬তম কোপা আমেরিকা জয়ের মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজেদের আন্তর্জাতিক আধিপত্য আরও দৃঢ় করে। ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা টানা বড় আসরগুলোতে সাফল্য আন্তর্জাতিক ফুটবলে দলটিকে দিয়েছে আলাদা উচ্চতা।
আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন ধারাবাহিকতা খুব কম দলই দেখাতে পেরেছে। টানা কয়েকটি আন্তর্জাতিক আসরে সাফল্যের পর এবার বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবেই যাত্রা শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। সেই শুরুটা হয়েছে এমনভাবে, যা নতুন করে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে আলবিসেলেস্তেদের।
