আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন উপস্থিত লোকজন। পর্বটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর উপসম্পাদক লাজ্জাত এনাব মহছি।
বদরখালী এলাকার বাসিন্দা ও কৃষক শামস উদ্দিন জানতে চান, বনটি পুনরুদ্ধার হবে কীভাবে। তাঁর বক্তব্য, শুধু সুন্দরীগাছ লাগিয়ে বনের পুনর্জন্ম সম্ভব নয়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে সেগুলোর যত্ন নিতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া হতে হবে প্রাকৃতিক।
এর জবাবে অধ্যাপক মোহাম্মদ আল আমীন বলেন, একজাতীয় গাছ দিয়ে বন পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। বৈচিত্র্যময় প্রজাতির গাছ রোপণ করতেই হবে।
পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, চকরিয়ার এই বনাঞ্চলকে অনেকেই ‘ছোট সুন্দরবন’ নামে চেনেন। সঠিক উদ্যোগ নিলে এই বন আবারও ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এখন থেকে বাস্তব পদক্ষেপ কী হবে—আগামীকাল থেকেই কীভাবে কাজ শুরু করা যাবে।
এর উত্তরে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তোলা হবে। এ নিয়ে আরও আলোচনা ও ধারাবাহিক প্রতিবেদন করা হবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন চকরিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো বলেন, সুন্দরবন এলাকায় মৎস্য অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পে তিন লাখ গাছ লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বেশির ভাগ গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। তাঁর অভিযোগ, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি অর্থ অপচয় হয়েছে।
তবে চকরিয়া উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন বলেন, গাছগুলো টিকিয়ে রাখতে অনেক চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
শুধু প্রশ্ন নয়, চকরিয়া সুন্দরবন নিয়ে প্রথম আলোর এ আলোচনা সভার প্রশংসা করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও গবেষকেরা।
