সদর উপজেলার সুবচনী এলাকার কৃষক দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিদিন আমার সেচযন্ত্র চালাতে ১০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন। সাত দিন ধরে কোথাও ডিজেল পাচ্ছি না। হাটবাজারে খুচরা ডিজেল বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাম্পে এলেও পাই না। আমরা ফসলের আবাদ করব কীভাবে? আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে পাম্পে জড়ো হয়েছি।’

হাজী আবদুল জলিল ফিলিং স্টেশনের পরিচালক খালেদ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বরিশাল ডিপো থেকে চার দিন কোনো তেল সরবরাহ করা হয়নি। তাই পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে। গতকাল বিক্রি শুরু হলে শত শত যানবাহনের ভিড় হয়। আর জেলা প্রশাসন খোলা পাত্রে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। তাই কয়েকজন কৃষককে খোলা পাত্রে তেল দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তাঁরা পাম্প ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরে তাঁদের তেল দেওয়া হয়েছে।’

শরীয়তপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাফিজ এলাহী প্রথম আলোকে বলেন, ‘পাম্পে কৃষকেরা বিক্ষোভ করছেন—এমন খবর পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সেখানে যাই। পরে প্রত্যেককে পাঁচ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হয়েছে। রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত এ সমস্যা ছিল। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’



Source link