পরিবার সূত্রে জানা যায়, সেলিনা আক্তার আজ সকালে নাতনি ও জামাতা কাজী হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে আদালতের কাজে শহরে আসেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি তাঁদের আদালত এলাকায় রেখে নিজে রেলগেট এলাকার একটি হোটেলে নাশতা করতে রিকশায় রওনা দেন। পথে পান্না চত্বর পার হওয়ার সময় তাঁর ওড়না রিকশার চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। এ ঘটনায় গলায় ফাঁস লেগে তিনি পাকা সড়কে পড়ে যান এবং মাথায় আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজীব দে সরকার বলেন, সকাল পৌনে ১০টার দিকে সাংবাদিক সোহেল মিয়ার মাকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখেন, হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।



Source link