নেইরি গ্রুপের অর্থায়ন নিয়েও সন্দেহ আছে। একটি স্বাধীন অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক বিলিয়ন রুবল অর্থ পেয়েছে, যার বড় অংশ এসেছে ক্রেমলিন-সংযুক্ত উৎস থেকে। এই অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে ‘ন্যাশনাল টেকনোলজি ইনিশিয়েটিভ’ নামের একটি কর্মসূচি থেকে, যা ২০১৪ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চালু করেছিলেন। এ ছাড়া রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিলের সঙ্গে যুক্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান থেকেও অর্থ এসেছে বলে ধারণা করা হয়।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নেইরি দাবি করে, তারা বিশ্বের প্রথম এমন একটি ইঁদুর তৈরি করেছে, যার মস্তিষ্ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে যুক্ত। এই ইঁদুর নাকি অনলাইন তথ্য ব্যবহার করে কি–বোর্ডের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। এর আগে তারা গরুর মস্তিষ্কে পরিবর্তন এনে দুধ উৎপাদন বাড়ানোর পরীক্ষার কথাও জানিয়েছিল।

যদি এই গবেষণা সফল হয়, তবে রাশিয়া হবে বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশের একটি, যারা কার্যকর জীব-ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করতে পেরেছে। গত বছর চীনের বিজ্ঞানীরাও অত্যন্ত হালকা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণযন্ত্র ব্যবহার করে মৌমাছির ওড়া নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

তবে নেইরি গ্রুপ নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেছে, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে যেন এই প্রযুক্তি শুধু বেসামরিক কাজে ব্যবহার করা হয় এবং কোনো গোপন বা দ্বিতীয় উদ্দেশ্যে যেন ব্যবহৃত না হয়।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ



Source link