এদিকে গত বছরের জন্য ব্যাংকটি যে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, সেই লভ্যাংশ বাবদ ব্যাংকটি বিতরণ করবে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, গত বছর ব্যাংকটি যে মুনাফা করেছে, তার প্রায় ৪০ শতাংশ শেয়ারধারীদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করবে। আর এই লভ্যাংশ বিতরণ করা হবে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমের পর। ব্যাংকটি এজিএমের তারিখ নির্ধারণ করেছে আগামী ২৪ মে। ওই এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারধারীদের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর বিতরণ করা হবে। ঘোষিত লভ্যাংশ কারা পাবেন, সেটি ঠিক করার জন্য ব্যাংকটি রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করেছে ৩০ এপ্রিল। ওই দিন যাঁদের হাতে ব্যাংকটির শেয়ার থাকবে, তাঁরা ঘোষিত লভ্যাংশ পাবেন।
ব্যাংকটির ঘোষিত লভ্যাংশের বড় অংশই পাবেন উদ্যোক্তা পরিচালকেরা। কারণ, এটির শেয়ারের মালিকানার বড় অংশই তাঁদের হাতে। সর্বশেষ গত মার্চের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকটির শেয়ারের ৪৩ শতাংশের বেশি মালিকানা রয়েছে উদ্যোক্তা–পরিচালকদের হাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মালিকানা রয়েছে ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। গত মার্চ শেষে তাঁদের হাতে ছিল ব্যাংকটির শেয়ারের প্রায় ৩৩ শতাংশ মালিকানা। বাকি প্রায় সোয়া ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে।
