যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছিল, তার মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ২০২৫। এই অধ্যাদেশ দুটি পাস হলে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের হাতে যেত এবং উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগও সরকারের প্রভাবমুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হতো।
অবশ্য গত সোমবার আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জাতীয় সংসদে এই দুই অধ্যাদেশ বাতিল করতে পৃথকভাবে দুটি বিল উত্থাপন করেন। বিলগুলো হলো সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ নিয়ে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক পর্যালোচনা ও পরামর্শ প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারক নিয়োগের অধ্যাদেশটি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ নিয়ে বলা হয়, বর্তমান ব্যবস্থায় সরকার ও বিচার বিভাগের মধ্যে একটি ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’ রয়েছে। বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের (বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা) বিষয়ে সরকারের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ ব্যবস্থায় বিচারকেরা কারও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে থাকেন না। ফলে তাঁদের একজন ব্যক্তির অন্যায় সিদ্ধান্তের শিকার হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।
