নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসরায়েলের একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জানান, তাঁদের লক্ষ্য হলো সীমান্ত থেকে ৫-১০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা ‘পরিষ্কার’ করা। এতে ইসরায়েলি সীমান্তশহরগুলো হিজবুল্লাহর রকেটচালিত গ্রেনেড হামলার নাগালের বাইরে থাকবে।

ওই ইসরায়েলি কর্মকর্তা দাবি করেন, সীমান্তের কাছের কিছু লেবানিজ গ্রামে ইসরায়েলি সেনারা প্রমাণ পেয়েছেন, প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িতেই হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র বা সরঞ্জাম রয়েছে।

অবশ্য ওই ইসরায়েলি কর্মকর্তার দাবি কতটা সত্য, রয়টার্স সে বিষয়ে কিছু জানায়নি।

ওই কর্মকর্তার দাবি, এর অর্থ হলো এই বাড়িগুলোকে শত্রুর সামরিক অবস্থান হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এবং এগুলো অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, দক্ষিণ লেবাননের অনেক গ্রাম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হওয়ায় সেখান থেকে সরাসরি ইসরায়েলি শহর বা সেনাক্যাম্প পর্যবেক্ষণ করা যায়।

ইসরায়েলের অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং সাবেক সামরিক কৌশলপ্রধান আসাফ ওরিয়ন বলেন, বাফার জোনের ব্যবহার একটি নতুন নিরাপত্তানীতির প্রতিফলন। এই নীতি অনুযায়ী, ‘সীমান্তবর্তী জনপদকে শুধু সীমান্ত দিয়ে রক্ষা করা সম্ভব নয়।’



Source link