তবে আসামি শরিফুল ইসলাম দাবি করেন, এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা। উচ্চ আদালতে তিনি জামিন পেয়েছেন। আদালতে বিষয়টির মীমাংসা হবে।
আইনজীবীরা বলছেন, এ ধরনের মামলায় ডিএনএ পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে বাস্তবে নানা কারণে এসব পরীক্ষা সম্পন্ন করতে দেরি হয়। পাশাপাশি মামলার জট, আদালতের চাপ এবং প্রক্রিয়াগত জটিলতা বিচারপ্রাপ্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
জাতীয় মহিলা সংস্থার মানিকগঞ্জের নির্বাহী কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বজলু বলেন, ভুক্তভোগী ওই নারী তাঁদের কার্যালয়ে আসেন। পরবর্তী সময়ে সংস্থার সহযোগিতায় লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে ওই নারী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। এক যুগ পেরিয়ে বিচার না পাওয়ায় হতাশ হলেও হাল ছাড়েননি ওই নারী। তাঁর একটাই দাবি—সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত হোক, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক।
জেলা নারী নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ পর্যায়ে আছে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলে মামলার রায় ঘোষণা হবে। বিচারপ্রার্থী ন্যায়বিচার পাবেন বলে তাঁর বিশ্বাস।
