মামুনের বাবা জাকির হোসেন নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি বলেন, ‘নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি কখনোই মানুষের কাজে আসেনি। এক দিনের জন্যও কোনো রোগীকে বহন করতে দেখলাম না।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রামগতির চর আবদুল্যাহ ও চরগজারিয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের কয়েকটি চরে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। তাদের যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি নৌপথনির্ভর। বর্ষা মৌসুমে এক গ্রামের সঙ্গে অন্য গ্রামের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজনে রামগতি যেতে হলে ট্রলার ভাড়া গুনতে হয় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, পরিকল্পনার অভাব ও তদারকির ঘাটতির কারণে শুরু থেকেই ব্যর্থ হয়েছে এই নৌ অ্যাম্বুলেন্সের উদ্যোগ। এ কারণে চরাঞ্চলের মানুষ জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নৌ অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার না হলেও প্রথমে এটি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা ব্যবহার করতেন। পরে সমালোচনার মুখে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটি উদ্ধার করে সেন্টার খালে ফেলে রাখেন।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, নৌ অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। কেন এটি এত দিন অকার্যকর রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। চরাঞ্চলের মানুষ যাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
