২০২০ সাল থেকে তিনি ও তাঁর ছেলে পিপলস লিজিংয়ে আমানত রাখলেও এখন পর্যন্ত সেই টাকা ফেরত পাননি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান আরেক ভুক্তভোগী মুনিরা খান। তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই হাজার পরিবারের আমানত এসব প্রতিষ্ঠানে আটকে আছে। দেশের আইনের ওপর ভরসা করে আমরা নিজেদের অর্থ জমা রেখেছিলাম।’

ভুক্তভোগী মুনিরা আরও বলেন, ‘আমার এক বোন দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত। নিজের ফ্ল্যাট বিক্রি করে চিকিৎসা চালালেও নতুন করে আবারও ক্যানসার ধরা পড়ায় এখন অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। অথচ এনবিএফআইয়ে তাঁর নিজস্ব আমানত রয়েছে। নিজের কষ্টের টাকা ফেরত পেতে তাঁকে ভিক্ষুকের মতো ঘুরতে হচ্ছে। এ রকম হাজারো পরিবার তাদের সঞ্চয়ের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন খরচ চালায়। অনেকের বয়স্ক বাবা–মায়ের চিকিৎসাসহ সন্তানদের পড়াশোনাও এই টাকার ওপর নির্ভরশীল ছিল।’

আরেক ভুক্তভোগী আক্তারি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী লাভের আশায় প্রায় নিজের পেনশনের প্রায় ১৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু সেই টাকা ফেরত না পাওয়ায় প্রয়োজনমতো চিকিৎসাও করতে পারেননি তিনি। ঋণ নিয়ে বোঝা করবেন না বলে ঠিকভাবে চিকিৎসাও করেননি। গত পাঁচ মাস আগে তিনি মারা যান। এখন সন্তানদের নিয়ে কীভাবে চলব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছি।’



Source link