ইসলামাবাদে দুই দেশ দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের উপায় খুঁজতে একত্র হয়েছিল। এর আগে গত সপ্তাহের মঙ্গলবার পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফলে ছয় সপ্তাহের সংঘাত থেমেছিল, যাতে হাজারো মানুষ নিহত হয় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়।

পশ্চিমা দেশগুলো ও ইসরায়েলের ধারণা, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায়—এটাই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের মূল কারণ। ইরান অবশ্য এ অভিযোগ বারবারই অস্বীকার করে আসছে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রস্তাব দিয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে, সব বড় পারমাণবিক স্থাপনা ভেঙে ফেলতে হবে, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো মেনে নিতে হবে, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত করতে হবে।

অন্যদিকে ইরানের দাবি ছিল—স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা, ভবিষ্যতে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ সম্পদ মুক্ত করা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের স্বীকৃতি এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।

১১টি সূত্রের মধ্যে চারটি সূত্র জানিয়েছে, একপর্যায়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতার কাঠামো প্রায় তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হরমুজ, পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইরানের জব্দ অর্থের পরিমাণ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে তা ভেঙে যায়।



Source link