মামলার বাদী ও নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আমার জামাইকে বাড়ি–ভিটা মিলে ১০ বিঘা জমি লিখে দেন তাঁর বাবা। আমার জামাই তাঁর বাবার একমাত্র ছেলে। আমার জামাইকে ১০ বিঘা জমি দেওয়াতেই মূল সমস্যা। এইটা নিয়েই তাঁর বোন-ভগ্নিপতিদের হিংসা শুরু হয়। তখন থেকেই তাঁরা হাবিবুর ও আমার মেয়ের বংশকে নির্বংশ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। জমি নিয়ে বিবাদের জেরে গ্রামে সালিস বসেছিল। সেখানে হাবিবুরের বড় বোন ডালিমার স্বামী ও তাঁর ছেলে আমার জামাই-মেয়েকে হত্যার হুমকি দেন।’

নিহত পপির মামা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘কিছুদিন আগে জমি নিয়ে বোনদের সঙ্গে হাবিবুরের দ্বন্দ্ব হয়। এ নিয়ে কয়েক দিন সালিস হলেও ঘটনার সমাধান হয়নি। বারবার বলার পরও তাঁর বাবা (নমির) এ সমস্যার সমাধান করেননি। শেষে জমিই একটা পরিবারকে ধ্বংস করে দিল।’

গতকাল বাহাদুরপুর গ্রামে ঘটনাস্থলে কথা হয় নিহত পপি সুলতানার মা সাবিনা বেগমের সঙ্গে। বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, ‘আপনারা আমাকে ন্যায্য বিচার করে দেন। ন্যায্য বিচার, আমি কোনো কিছু চাই না, ওর বাপ শুধু একটা অঘটন ঘটাল আর চারটা কেন খুন করল? ওর বাপ তো বেঁচে আছে, ওই কেন বেঁচে থাকল? খুন করলে পাঁচজনাকেই খুন করবে।’



Source link