হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, কর বাড়ালে তামাকপণ্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়টা আরও এগোবে। কর বাড়ালে তরুণ প্রজন্মকে সিগারেট থেকে রক্ষা করার কাজে একটু এগিয়ে থাকা যাবে। কর বাড়ালে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, সেখান থেকে জনস্বাস্থ্যে ব্যয় করা যাবে। ‘জনস্বাস্থ্য বনাম রাজস্ব’ নিয়ে যে বিতর্ক, তার সুচিন্তিত একটি সমাধান এখানে সম্ভব।

তামাকপণ্যের ব্যবহার রোধে কেবল কর বাড়ালেই হবে না বলে মনে করেন হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, একই সঙ্গে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে ই-সিগারেট ও ভ্যাপিং নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে সংসদে আইন পাসের সময় বিষয়টি তুলে দেওয়া হয়। কেন বাদ দেওয়া হলো, তার কোনো ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি। এটা পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ হয়ে গেল।

সংবাদ সম্মেলনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের জন্য ‘তামাক কর প্রস্তাব’ তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাফিউন নাহিন শিমুল। বর্তমানে ১০ শলাকা প্যাকেটের যে সিগারেটের দাম ৬০ ও ৮০ টাকা, বাজেটে তার দাম ১০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ১৪০ টাকা দামের প্যাকেটের দাম ১৫০ টাকা, ১২৫ টাকার প্যাকেটের দাম ২০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।



Source link