বরিশাল জাতীয় গ্রিড উপকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরগুনা ও পিরোজপুর জেলায় প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা ৫৫০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট। সেখানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট।
পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্র বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান পলাশ রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিদ্যুতের চাহিদা পিক ও অফপিক আওয়ারে ওঠানামা করে। তবে বর্তমানে আমাদের চাহিদার ২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। এ জন্য সেটা লোডশেডিং করে সমন্বয় করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিতরণ কর্তৃপক্ষ শিল্পাঞ্চলসহ অধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে কম লোডশেডিং দিয়ে বিদ্যুৎ সমন্বয় করে। এ জন্য গ্রাহক পর্যায়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমবেশি মনে হতে পারে।
বরিশাল নগরে ওজোপাডিকোর দুটি বিতরণ বিভাগ আছে। এর মধ্যে বিতরণ বিভাগ-১-এ প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা ৫০ থেকে ৬১ মেগাওয়াট। বুধবার চাহিদা ছিল ৬১ মেগাওয়াট, সরবরাহ পাওয়া যায় ৪০ মেগাওয়াট। বৃহস্পতিবারও একই পরিস্থিতি ছিল। শনিবার চাহিদা ছিল ৫৪ মেগাওয়াট, পাওয়া যায় ৪৮ মেগাওয়াট।
