হোয়াইট হাউসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মতে, বুধবার হোয়াইট হাউসে জাহাজ নির্মাণ নিয়ে ট্রাম্প ও হেগসেথের মধ্যে বৈঠক চলাকালে এসব সমস্যা চরমে পৌঁছায়।

কর্মকর্তা জানান, জাহাজ নির্মাণের ধীরগতিতে ট্রাম্প নিজেও ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং বৈঠকের সময় তিনি নিশ্চিত হন, ফেলানকে পরিবর্তন করা দরকার। তিনি ও তাঁর প্রতিরক্ষামন্ত্রী এমন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যিনি আরও দ্রুত কাজ করবেন।

ফেলান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অধীন হওয়ায় হেগসেথকে বিষয়টি ‘নিষ্পত্তি’ করতে বলেন ট্রাম্প। এরপর হেগসেথ ফেলানকে একটি বার্তা পাঠিয়ে জানান, তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা তাঁকে বরখাস্ত করা হবে।

তবে ওই কর্মকর্তা জানান, ফেলান সম্ভবত বিশ্বাস করতে পারেননি, এই বার্তার বিষয়ে ট্রাম্প জানতেন। তিনি দ্রুত হোয়াইট হাউসের অন্যান্য কর্মকর্তাকে ফোন করতে শুরু করেন। তাঁদের কাছে তিনি জানতে চান, তাঁরা তাঁর পদত্যাগের কথা শুনেছেন কি না এবং প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে জানেন কি না।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ঠিক সেই সময় পার্নেল তাঁর বিবৃতিটি প্রকাশ করেন।



Source link