স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সংসদে এই তথ্য জানিয়ে বলেন, সংসদ সদস্যদের কক্ষ বরাদ্দের বিধান না থাকায় এর নাম হবে পরিদর্শন কক্ষ। পরিদর্শন কক্ষ হোক বা সংসদ সদস্যদের জন্য ‘আয়েশি কক্ষ’ হোক, এর খরচ জোগাতে হবে জনগণের করের অর্থে। তা–ও এমন এক সময়, যখন ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে দেশে ভয়াবহ জ্বালানিসংকট চলছে। অর্থনীতির অবস্থাও ভালো নয়।
এনসিপির আরেক সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘এলাকায় আমাদের বসার জায়গা করে দিয়েছেন, এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’
একই সঙ্গে তিনি লজ্জা থেকে বাঁচার জন্য সংসদ সদস্যদের গাড়ির ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিরোধী দলের অন্যান্য দাবির বিষয়ে অনড় থাকলেও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমীভাবে নমনীয়তা দেখিয়েছেন। কিছু করার আশ্বাস দিয়েছেন। গাড়ি চাওয়া নিয়ে সমালোচনা হলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তাঁরা শুল্কমুক্ত গাড়ি চান না; চান সচিব, ডিসি ও ইউএনওদের মতো গাড়ি। অর্থাৎ সরকারি কর্মকর্তারা যে গাড়ির সুবিধা পান, সংসদ সদস্যদের জন্যও সেই সুবিধা দাবি করেন এই তরুণ সংসদ সদস্য।
এখন দেখা যাক একজন সংসদ সদস্য রাষ্ট্র থেকে কী কী সুবিধা পান। তিনি এলাকায় আসা–যাওয়ার জন্য মাসে ৭০ হাজার টাকা যাতায়াত ভাতা পেয়ে থাকেন। এখন রাষ্ট্র যদি সংসদ সদস্যদের গাড়ির ব্যবস্থা করে, তাহলে তাঁদের এই পরিবহন ভাতার কী হবে? সেটিও কি নেবেন তাঁরা। সে বিষয়টি স্পষ্ট হলো না।
