ফাইনালে আবারও মুখোমুখি হন গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ ও রানারআপ রাশেদ বলী। শুরু থেকেই লড়াই ছিল সমানে সমান। কখনো শরীফ এগিয়ে যাচ্ছেন, আবার রাশেদ দ্রুত সামলে নিচ্ছেন। হাতের গ্রিপ, শরীরের ভারসাম্য—সবকিছু মিলিয়ে চলছিল টান টান লড়াই। দর্শকেরা নিশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে ছিলেন রিংয়ের দিকে। চারপাশে তখন শুধু চিৎকার আর ঢোলের শব্দ।

২৫ মিনিট চলে খেলা। খেলার শেষ দিকে এসে মোড় ঘুরে যায়। হঠাৎ কৌশল বদলে সামনে এগিয়ে যান শরীফ। রাশেদকে ভারসাম্য হারাতে বাধ্য করেন। সেই সুযোগে শক্ত এক চাল দিয়ে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেন। রেফারির বাঁশি বাজতেই বিজয়ীর নাম ঘোষণা—‘বাঘা’ শরীফ।

ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই লালদীঘি মাঠ ভরে ওঠে হাততালি আর উল্লাসে। কেউ চিৎকার করে ওঠেন, কেউ হাত তুলে অভিনন্দন জানান। টানা তৃতীয়বার শিরোপা জিতে নিজের দাপট আরও দৃঢ় করলেন শরীফ। এর আগে খেলার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।



Source link