আলু রপ্তানিকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আবর আমিরাত ও পাকিস্তানে সানশাইন, এন্টারিক্স, গ্রানোলা, ডায়মন্ট ও কুম্ভিকা জাতের আলু রপ্তানি হয়। তবে বিদেশের বাজারে বিশেষ করে ইউরোপ ও রাশিয়ায় লম্বাটে ও কম জলীয় অংশযুক্ত আলুর চাহিদা বেশি।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, রংপুর অঞ্চলের উৎপাদিত জনপ্রিয় জাত কার্ডিনাল ও ডায়মন্ট মূলত রান্নার জন্য উপযোগী, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের (চিপস বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই) জন্য নয়। এটা এ অঞ্চলের আলু রপ্তানির বড় বাধা। তাঁদের আলু রপ্তানির বিষয়ে তেমন জানাশোনাও নেই।
রংপুর নগরের তালুক উপাসু গ্রামের কৃষক আবদুল কাদের বলেন, ‘আলু রপ্তানি হয়, লোকমুখে শুনি। কেউ কোনো দিন বলেনি। লোক না আসলে আমি কীভাবে আবাদ করব আর কার কাছে দিব, জানি না।’
স্থানীয় কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও হর্টেক্স ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পার্টনার কর্মসূচির আওতায় চলতি মৌসুমে রংপুর অঞ্চলের ৫টি জেলায় ২ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। ইতিমধ্যে রংপুরের মিঠাপুকুর, পীরগাছা ও পীরগঞ্জ থেকে কিছু আলু মালয়েশিয়া ও দুবাইয়ে রপ্তানি শুরু হয়েছে।
