মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, আজ ফজরের নামাজের পর থেকে সাজিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে মাদ্রাসার পাশে পুকুরে পানির ওপর সাদা পাগড়ির একটি অংশ ভাসতে দেখে সহপাঠীরা সন্দেহ করে, সেখানেই সাজিদের মরদেহ রয়েছে। সেখান থেকেই তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ নিকটবর্তী মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবদুস সবুর জানান, মাদ্রাসার পাশেই পুকুরের চারপাশের পাড়ে আমগাছ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রায়ই সবাই সেখানে আম কুড়াতে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, সাজিদ আম কুড়াতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যায়। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনাকে ঘিরে বলাৎকার (ধর্ষণ) বলে গুঞ্জন ছড়ালেও এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ লাশ ময়নাতদন্তের প্রস্তাব দিলেও নিহতের পরিবার এতে রাজি হয়নি।



Source link