বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের শুধু সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নয়, বরং মানবিক ও দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় টাকা বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিমধ্যে ৩৭ হাজারের বেশি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় কোথাও কেউ বাদ পড়েছে কি না, আবার কেউ ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা চাই ভবিষ্যতে প্রকল্পটি আরও নির্ভুলভাবে পরিচালিত হোক।’
চলতি অর্থবছর অর্থাৎ আগামী জুন পর্যন্ত ৮৬ হাজার জনকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য ৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে বলে অর্থ বিভাগকে জানিয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এ টাকার ৬৬ শতাংশ ব্যয় হবে সরাসরি নগদ সহায়তা দিতে। আর বাকি ৩৪ শতাংশ ব্যয় হবে তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন পদ্ধতি চালু, কার্ড ইত্যাদি কাজে। ৩৭ হাজার জনকে ইতিমধ্যে কার্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৮ হাজার জনকে কার্ড দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকের পর যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ জন্য অর্থের কোনো ঘাটতি হবে না। তবে প্রকল্পের শুরুর দিক এখনো। অনেক কাজ বাকি। চলমান কিছু কর্মসূচি আছে, যেগুলো সমন্বয় করার দরকার পড়তে পারে।’
