ব্যাংকটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের পর গত বছরের জন্য এনসিসি ব্যাংক শেয়ারধারীদের সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ ২০১১ সালে ব্যাংকটি শেয়ারধারীদের মোট ২৭ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। যার মধ্যে ১৭ শতাংশ ছিল বোনাস ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। সেই হিসাবে ১৪ বছর পর শেয়ারধারীদের জন্য সর্বোচ্চ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকটি।
এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নূরুন নেওয়াজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা আইনকানুন মেনে ব্যাংক পরিচালনা করি। কোনো ধরনের আগ্রাসী ব্যাংকিং করি না। এর সুফল পেতে শুরু করেছে ব্যাংক। এ জন্য মুনাফা বেড়েছে। কোনো সূচকে ঘাটতিও নেই। আমরা ব্যাংকটিকে নিয়মের মধ্যে শীর্ষ ব্যাংকের কাতারে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
ব্যাংকটির আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মুনাফার বড় অংশই এসেছে বছরের শেষ তিন মাসে। এই তিন মাসে ব্যাংকটি প্রায় ৩০৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর—এই নয় মাসে ব্যাংকটির কর পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল ১৭৩ কোটি টাকা। বছর শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৭৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ বছরের প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটি যে মুনাফা করেছে তার প্রায় দ্বিগুণ মুনাফা করেছে শেষ তিন মাসে। ব্যাংকটির গত ১০ বছরের মুনাফার তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত বছরই ব্যাংকটি রেকর্ড মুনাফা করেছে।
