নোটিশে বলা হয়, লে-অফ চলাকালে শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ ইপিজেড আইন, ২০১৯-এর ধারা ১৫ অনুযায়ী বেতনভাতা দেওয়া হবে। এ সময় কারখানায় উপস্থিতি বা দৈনিক হাজিরার প্রয়োজন হবে না। তবে কাঁচামাল সরবরাহ ও নতুন অর্ডার প্রাপ্তিসাপেক্ষে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উত্তরা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল জব্বার প্রথম আলোকে বলেন, ক্রয়াদেশ ও কাঁচামাল–সংকটের কারণে শ্রমিকদের কাজ দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। কাঁচামাল ও ক্রয়াদেশ পাওয়া গেলে আবার কারখানাটি উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরবে।
