তৃণমূলের দাবি ছিল, স্ট্রংরুমের ভেতরে লোক ঢুকিয়ে পোস্টাল ব্যালটে কারচুপির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে জেলা নির্বাচনী কার্যালয় থেকে এই অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেন, ৩০ এপ্রিল বিকেল ৪টা থেকে ব্যালট পৃথক্করণের কাজ শুরু হওয়ার কথা আগেই জানানো হয়েছিল। এই বাছাই করা ব্যালট উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গণনা কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া চলছিল। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব জেনারেল অবজারভার ও প্রার্থীদের এজেন্টদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ইভিএম ও স্ট্রংরুমে কড়া পাহারার নির্দেশ দেন। তিনি নিজেও ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে একটি কেন্দ্র পরিদর্শনে যান।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণনাকেন্দ্রের সুরক্ষায় এবার ইসিআই-নেট নামে একটি বিশেষ মডিউল চালু করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের নির্বাচনে এই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
