মাজারেই আরও বলেন, ওপেক ও ওপেক প্লাস দুর্বল হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিষয়টি ভালোই হবে, কেননা, এসব জোট বিশ্ববাজারের তেলের দাম নির্ধারণে এখনো কিছুটা হলেও প্রভাব বিস্তার করে। তাদের সেই প্রভাব আরও কমলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক হবে।
গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ দশমিক ৪১ ডলারে উঠেছিল, যদিও আজ শনিবার তা ১০৮ ডলারে নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রলের গড় দাম দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৩৩ ডলার, ইরানে হামলা শুরুর আগের দিনের তুলনায় যা প্রায় দ্বিগুণ।
এদিকে যুদ্ধ তৃতীয় মাসে গড়ালেও ভোক্তাদের জীবনে স্বস্তি ফেরেনি। জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়চ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে মানুষের ব্যয়ভার। নভেম্বরে আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্যও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কর্মদক্ষতার বিষয়ে মানুষের সমর্থন কমে গেছে। আগের জরিপে যা ছিল ৩৬ শতাংশ, এখন তা কমে ৩৪ শতাংশে নেমেছে।
তবে ট্রাম্প মনে করেন, যুদ্ধ শেষ হলেই জ্বালানির দাম দ্রুত কমে যাবে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ হলেই গ্যাসের দাম হঠাৎই নেমে যাবে।’
