অন্যদিকে মার্সেলো লিপ্পির অধীনে ইতালির উত্থান অনেকটা অবাক করার মতোই ছিল। দলে কিংবদন্তির অভাব নেই বটে, কিন্তু গত কয়েক বিশ্বকাপ ধরেই তীরে এসে তরি ডুবছিল ইতালির। তাই মার্সেলো লিপ্পি গতানুগতিক ইতালিয়ান ডিফেন্সিভ ধরন থেকে বেরিয়ে নজর দিলেন আক্রমণে। ফলাফল মিলল হাতেনাতে। টট্টি, লুকা টনি, দেল পিয়েরোর মতো আক্রমণাত্মক লাইনআপকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন লিপ্পি। ফলাফল—প্রতি ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়েছে ইতালি। অস্ট্রেলিয়া, ইউক্রেন, জার্মানিকে হারিয়ে পথ খুঁজে নিয়েছে ফাইনালের। বিপত্তিটা বাধল সেখানেই।

ইতালিয়ান ডিফেন্সের কাছে বাকি সবাইকে আটকানোর টোটকা আগে থেকেই ছিল। বাধা ছিলেন একজন—জিনেদিন জিদান। অথচ জিদানের ইউরোপিয়ান ফুটবলে রাজত্বের সূচনা হয়েছিল এই লিপ্পির অধীনেই। সেখান থেকে বহুদূর পাড়ি দিয়েছেন জিদান, ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে স্বপ্ন শুধু আরেকবার বিশ্বকাপ ছুঁয়ে দেখার। আর লিপ্পির লক্ষ্য যেকোনো মূল্যে সেটাকে আটকানো।

ম্যাচের ৭ মিনিটেই পেনাল্টি থেকে লিড নিয়ে নিলেন জিদান। তা–ও যে–সে পেনাল্টি নয়, বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক বুফনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে ‘পানেনকা’ মারার দুঃসাহস দেখালেন জিদান। ১৯ মিনিটে ইতালিকে সমতায় ফেরালেন ইতালিয়ান ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জি। কিন্তু কে জানত, বহু বছর পরও এই দুজনের কীর্তি থাকবে লোকের মুখে মুখে?



Source link