বয়ঃসন্ধি বা তার পরবর্তী সময়ে সন্তানরা যখন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন মা-বাবার ভূমিকা কেবল শাসনকর্তা নয়, বরং একজন সহমর্মী বন্ধুর হওয়া প্রয়োজন। সন্তান যখন নিজের সমস্যার কথা বলতে আসে, তখন তাকে মাঝপথে থামিয়ে উপদেশ না দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সে কী বলছে এবং তার পেছনে তার আবেগটা কী, সেটি বোঝার চেষ্টা করা। একে ‘এমপ্যাথেটিক লিসেনিং’ বলা হয়। সন্তান কোনো ভুল করলে তাকে শুরুতেই দোষারোপ করলে সে পরবর্তীতে সত্য বলা বন্ধ করে দেয়। তার ভুলকে একটি শিক্ষণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করে আলোচনা করলে সে আত্মরক্ষামূলক না হয়ে বরং গঠনমূলক হতে শিখবে।



Source link