অপরাধজগৎকেন্দ্রিক এই ২৩ ঘটনা ঘটেছে ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, রায়েরবাজার, মোহাম্মদপুর, আদাবর, মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল, গুলশান, বাড্ডা, মগবাজার, হাতিরঝিল ও মতিঝিল অঞ্চলে। ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড’ হিসেবে পরিচিত ঢাকার অপরাধজগতের মানচিত্রে এই এলাকাগুলো এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার কোথাও পুরোনো শীর্ষ সন্ত্রাসী, কোথাও তাদের সহযোগী, কোথাও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী স্থানীয় গোষ্ঠীর মধ্যে অপরাধজগতের ক্ষমতার পালাবদল চলছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর ভঙ্গুর অবস্থার কারণে মূলত পেশাদার সন্ত্রাসীরা নানাভাবে সক্রিয় হতে শুরু করে। মোহাম্মদপুর এলাকার ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, হাজারীবাগের সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন, খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, মিরপুরের আব্বাস আলী (পুলিশের ভাষ্যে ‘কিলার আব্বাস’ হিসেবে পরিচিত), তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলামসহ অন্তত সাত আলোচিত সন্ত্রাসী জামিনে মুক্ত হন। তাঁদের মধ্যে অন্তত তিনজন জামিনে বের হয়েই বিদেশে চলে যান। কয়েকজন আগে বিদেশে ছিলেন, সেখানে বসে দেশে অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হঠাৎ সক্রিয় হন সুব্রত বাইনও।
