‘আমার আর রেজওয়ানের সম্পর্কটা মায়ের কাছে কীভাবে বলব, তা নিয়েও বেশ দ্বিধান্বিত ছিলাম। মনে হতো মা কখনোই মেনে নেবেন না। একদিন ঘুরতে যাচ্ছি, এমন সময় তেল নিতে পেট্রলপাম্পে দাঁড়াল গাড়ি। মা তখন নিজে থেকে হঠাৎ বললেন, “তুমি যে একটা ছেলের সঙ্গে কথা বলো, তা আমি জানি। আমার কাছে লুকানোর কিছু নেই। ছেলেটাকে আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ো।”

আমার প্রতি মায়ের আস্থা আর বিশ্বাস দেখে সেদিন অবাক হয়েছিলাম। এখন তো অনেক বড় হয়েছি, মায়ের সেই কড়া শাসনও আর নেই, যা ইচ্ছা তা–ই করতে পারি। তবে মা যে শৃঙ্খলার বীজ আমার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছেন, সেখান থেকে বের হতে পারিনি। শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন, সময়মতো খাওয়াদাওয়া, বইপড়া, মোবাইল ফোনে কম সময় কাটানো—এই নিয়মানুবর্তিতাগুলো আমাকে এখন একটি সুন্দর জীবনযাপনে সাহায্য করেছে,’ মাকে জড়িয়ে ধরে এমনটাই বললেন ফারিণ।



Source link