তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য শোনার পর আদালত তাঁকে অবিলম্বে বাদীর বিরুদ্ধে গুরুদাসপুর থানায় ভুল তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দেন। এ আদেশের পাশাপাশি আদালত তাঁকে সাত দিনের মধ্যে ওই শিশুকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। বখতিয়ার হোসেন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাদী আদালতের কাছে এ বিষয়ে ক্ষমা চাইলে আদালত বলেন, এ অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই। বয়স দুই-এক বছর কমবেশি হতে পারে। তাই বলে ৭ বছরের শিশুর বয়স ২১ বছর লেখার কোনো সুযোগ নেই। তাঁকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আবদুল কাদের বলেন, অসত্য তথ্য সরকারি কর্মচারীকে সরবরাহ করলে দণ্ডবিধির ১৭৭ ও ১৮২ ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান আছে। এই ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামির ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।



Source link