প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতিতে লটারি চালুর কারণে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে বলে সংসদে অভিযোগ তুলেছেন এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি—প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভর্তি পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে কি না।
সংসদে দেওয়া প্রশ্নে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আগে প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতো মেধার ভিত্তিতে। কিন্তু বর্তমানে লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। এতে ফিডার ইনস্টিটিউটগুলোতে শিক্ষার মান অনেক কমে গেছে। ফলে মানসম্পন্ন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
এ বিষয়ে জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মূলত দুটি ধরনের পরিবেশ রয়েছে—একটি গ্রামীণ এবং অন্যটি শহরাঞ্চল। গ্রামীণ এলাকায় এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তেমন প্রতিযোগিতা না থাকায় সেখানে বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। তবে ঢাকার মতো শহরে এই বিষয়টি জটিলতা তৈরি করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই জটিলতা নিরসনের জন্য আগের সরকার লটারি পদ্ধতি চালু করেছিল। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন, এ পদ্ধতি পুরোপুরি যৌক্তিক নয়।
আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পদ্ধতি কীভাবে হবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
